সপুরা বিসিকের পার্শ্বে শাহী রাইস মিলস-এ যারা ধান শুকানো ভাঙ্গানোর কাজ করে তারা অত্যন্ত নিম্নমানের জীবন যাপন করে। তাদের সারাটা দিন কাটে ধান শুকিয়ে আর ধান ভেঙ্গে। ১০০ মন ধান-এ তাদের মাত্র ১২৫ টাকা করে দেয়া হয়। অর্থাত ২ মন ধানে বা প্রতি বস্তায় তাদের ১১ টাকা করে দেয়া হয়। ১ বস্তা ধান শুকিয়ে চাল করতে তাদের সময় লাগে প্রায় ৩-৪ দিন।
শাহী রাইস মিলস-এর কর্মী তাহেলা, জাহানারা, হাসনা, সোনাভান, জাহিদুল, সামাদ প্রমুখের কাছ থেকে জানা গেছে যে, এই স্বল্প আয়ে তাদের জন্য বর্তমান যুগে চালটা দিনে দিনে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় তাদের দুবেলা পেট ভরে দু’মুঠো মোটা চালের ভাত পাওয়াটাও দিন দিন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। তারা আরো বললেন, তাদের যে পরিমান পরিশ্রম করানো হয় সে অনুযায়ী তারা তাদের ন্যায্য মজুরি পায় না। সারাদিন রোদে পুড়ে তাদের যে ঘাম ঝরে তারা তাদের সে কষ্টের পরিশ্রমের পারিশ্রমিক পায় না।
শুধু এই মিলেই না আশে পাশের মিলগুলোতেও একই অবস্থা। তারা অনেকেই নিজেদের নাম লিখতে পারে না। তারা তাদের বাচ্চাদেরকেও ঠিকমত লেখাপড়া করাতে পারে না। বাচ্চারা একটু বড় হলেই তাদেরও একই কাজে নিযুক্ত করে। তাদের ছোট ছোট বাচ্চাগুলো অপুষ্টিতে ভোগে।
লাইক:
1
দেখা হয়েছে: ০ বার