পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সড়ক ও জনপথের জায়গায় রাতের আধারে গড়ে উঠেছে দোকানপাট।
জানা যায়,উপজেলার চৌরাস্তা বাজারে মোঃ আব্দুর রশিদ ৯৪ নং খতিয়ান ভুক্ত রেকর্ড মালিকের ওয়ারিশগণের নিকট থেকে ক্রয় করিয়া দোকান ঘর নির্মাণ করিয়া ভোগ দখল ,রে আসতে থাকে।রাজিউর রহমান গত ২৭ জুলাই /২০১২ তারিখে সন্ত্রাসী দলবল লইয়া দোকান ঘর ভাঙ্গিয়া দেয় মর্মে বিঞ্জ তেঁতুলিয়া সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা আনয়ন করে। এদিকে মোঃ রাজিউর রহমান বাদী হয়ে বিঞ্জ তেঁতুলিয়া সহকারী জজ আদালতে ২ ফেব্রুয়ারী ২০১০ তারিখে বাদি ও বিবাদীদের উপস্থিতিতে শুনানী অন্তে বিঞ্জ আদালত অস্থায়ী ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। পরবর্তীতে রাজিউর নিজেই দোকান ঘর ভেঙ্গে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বিঞ্জ তেঁতুলিয়া সহকারী জজ আদালতে ১৮/১১ মিস ভায়োলেশন মামলা আনয়ন করলে বিঞ্জ আদালত বিরোধীয় সম্পত্তিতে উভয় পক্ষকে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। কিন্তু বিরোধীয় সম্পত্তিতে মামলা নিস্পত্তি হতে না হতেই রাজিউর রহমান উক্ত বিরোধীয় জমিতে আদালতের আদেশকে অমান্য করে ঘর নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখে। এতে আব্দুর রশিদ বাদি হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুজ্জামান সরে জমিনে এসে ঘটনার সত্যতা পায় এবং তাৎক্ষনিক নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। রাজিউর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান ১৯৮৬ সালে তার বাবার কাছ থেকে সাড়ে ১৬ শতক জমি বায়নামা সূত্রে ক্রয় করেন।কিন্তু ২০০০ সাল থেকে বিরোধীয় জমিতে আব্দুর রশিদ হোটেল রেস্তোরাঁর ব্যাবসা করে আসছে। অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়ায় আব্দুর রশিদ এর হোটেলের জায়গাটুকু রাজিউর রহমান দখল করে নেয়। আব্দুর রশিদের দাবি উক্ত জমির রেকর্ড মালিক ডাঃ সোলেমান আলীর ওয়ারিশ গণের নিকট থেকে ৫শতক জমি খরিদ করিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ হোটেল ব্যাবসা করিয়া আসিতেছিল।বর্তমানে উক্ত জমি থেকে উচ্ছেদ করে দিয়ে মামলা মোকাদ্দমায় জড়িয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে বলে অভিযোগ করেন।এদিকে সুচতুর রাজিউর রহমান প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে হোটেল রেস্তোরাঁর ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। জনমনে প্রশ্ন কোন অদৃশ্য শক্তির বলে এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসনের নিকট জনগন জানতে চায়। সেই সাথে তদন্ত সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
লাইক:
0
দেখা হয়েছে: ০ বার