নলছিটি উপজেলা সদরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী নলছিটি ডিগ্রী কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিতে নিয়মবহির্ভূত ভাবে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিভাবক মহল থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে প্রকাশ, একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিতে কলেজে এবার ডিজিটাল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। এতে অভিভাবকরা প্রথমে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে এস.এম.এস করা বাবদ ১৫০ টাকা ব্যয় করেন। এরপর কলেজে ভর্তি হতে এলে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ১৪২৫ টাকার স্থলে ১৫২৫ টাকা আদায় করা হয়। অথচ রশিদ দেয়া হয় ১৪২৫ টাকারই। কোন কোন অভিভাবক রশিদ বহির্ভূত ১০০ টাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে ক্লার্ক উত্তম কুমার তাদের সাথে কটু ভাষায় কথা বলেন। বহু অভিভাবক তাদের কষ্টসাধ্য এই অতিরিক্ত ব্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, সব সময়ই কলেজ কর্তৃপক্ষ এরকম কিছু অনির্ধারিত অন্যায়ভাবে টাকা আদায় করে থাকেন। যেমন, ফরম পূরণের সময় টেস্টিমোনিয়াল, মার্কশিট, সার্টিফিকেট নেয়ার সময়ও রশিদবহির্ভূত টাকা আদায় করা হয়। কোটা অনুযায়ি এ বৎসর ভর্তির ৪৫০ জন ছাত্র/ছাত্রীর কাছ থেকে আদায় হবে অতিরিক্ত ৪৫ হাজার টাকা। অথচ কখনোই এ সকল আদায়ের টাকার কোন বৈধ হিসাব নিকাশ কোথাও সংরক্ষণ কিংবা দাখিল করা হয় না বলে জানা যায়। তাহলে প্রতি বৎসর কে হন এই অবৈধ টাকার মালিক? জনমনে এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কলেজ অধ্যক্ষ জনাব নুর আলম খান এর সাথে আমাদের প্রতিবেদক ০১৭১১৩৯৮২৫১ নম্বর মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান যে, আমি ২৪ বছর ধরে এই কলেজে চাকুরী করে আসছি, এ ধরণের কোন আর্থিক অনিয়ম হয়নি। আমার কলেজে অতি উৎসাহী কিছু শিক্ষক আছে তারা এ ধরণের অভিযোগ তুলছেন। অতিরিক্ত টাকা নেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন ইন্টারনেট সহ বিভিন্ন খরচের জন্য নেয়া হতে পারে।
লাইক:
2
দেখা হয়েছে: ০ বার