-
by কামরুন্নাহার শাম্পা
-
চট্টগ্রাম
-
২১ জুন ২০১২
-
১১:০১
-
বিবিধ 
বাংলাদেশে নারী আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য সামাজিক, রাজনৈতিক ও পরিবারের ক্ষমতার কাঠামোতে নারীর সম অংশগ্রহন জরুরী। নারীরা যদি দলগতভাবে পুরানো প্রথা ভেঙ্গে দলগতভাবে এগিয়ে না আসে তাহলে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোসহ সকল স্তরে পুরুষের আধিপত্য রোধ করা যাবে ন্।া বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামালের মতো মহিয়সী নারীরা যদি আজকে নারীকে অবরোধবাসিনী থেকে উদ্ধার না করতে তাহলে হয়তো নারীরা মানুষ হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া অনেক কঠিন হতো। তাই সুফিয়া কামালের আদর্শ অনুসরনের জন্য সম্মিলিত ভাবে নারীকে সমাজে নারী পুরুষের একক আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষায় নারীকেই উদ্যোগী ভুমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ বেগম সুফিয়া কামালের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে চিটাগাং সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (সিএসডিএফ) এর সুফিয়া কামাল ফেলোদের উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত মত ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তাগণ নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুফিয়া কামালের বড় আদর্শ হলো নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন। এ জন্য তিনি শিক্ষা ও নেতৃত্বকে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামসহ অনেকগুলি আন্দোলনে সুফিয়া কামাল নেতৃত্ব প্রদান করেছেন এবং আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছেন। তাই নারীকে অবশ্যই যোগ্য হয়ে গড়ে উঠতে হবে এবং সাত ভাই চম্পা না হয়ে সাত বোনের ভাই হতে পরিবর্তন আনতে একযোগে ঘরে বাইরে ভুমিকা পালন করতে হবে। সভায় আরো অনেক নারীকে সুফিয়া কামাল ফেলোশিপের সদস্য পদ প্রদান করে মহিয়সী নারী সুফিয়া পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত করে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন জোরদার, রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র, আশীর্বাদের প্রথার বিরুদ্ধে মেধা ও প্রজ্ঞার চর্চার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
লাইক:
0
দেখা হয়েছে: ০ বার