তেঁতুলিয়া উপজেলা ভুমি অফিসে ঘুস বাণিজ্যের মাধ্যমে একই জমি একাধিক ব্যক্তির নামে খারিজ করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে প্রকাশ তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভুমি তহসিলদার ও তিরনই হাট ইউনিয়ন ভুমি তহসিলদার টাকার বিনিময়ে অবৈধ খারিজ খতিয়ান খোলার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তেঁতুলিয়া উপজেলা ভুমি অফিসে এসিল্যান্ড পদটি দীর্ঘদিন যাবৎ শূন্য থাকায় ভারপ্রাপ্ত হিসাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়সিন্ধু তালুকদার। অফিসের কানুনগো ও অফিস সহকারী মতিয়ার রহমান তহসিলদারকে ম্যানেজ করে মাঠ পর্যায়ে তদন্ত না করে ভুয়া তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে খারিজ কেস তৈরী করে এসিল্যান্ড এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও কোন প্রকার হেয়ারিং না করিয়ে খারিজ কেস সমূহ অনুমোদন করিয়ে দেন। এদিকে জমির মূল মালিক জানতে পেরে অবৈধ খারিজ কেস বাতিলের আবেদন করার পরও তা বাতিল না করে উল্টো অভিযোগ দাখিল কারী ব্যক্তিকে দিচ্ছি-দিব বলে হয়রানি করে আসছে।যে পদ্ধতিতে খারিজ কেস অনুমোদন দেওয়ার কথা তা না করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে উক্ত খারিজ কেসগুলো অনুমোদন দিয়ে এলাকায় নিত্যদিন খুন,জখম ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার স্বীকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। জমির মালিকরা নতুন খতিয়ান খোলার জন্য তহসিলদার এর নিকট গেলে মোটা অংকের টাকার দাবি করলে সাধারণ স্বল্প জমির মালিকদের হয়রানি করার একাধিক প্রমাণ রয়েছে। তেঁতুলিয়া উপজেলা ভুমি অফিস কর্মচারী আমাদের প্রতিনিধিকে জানায় দীর্ঘদিন যাবৎ এসিল্যান্ড না থাকায় অফিস কাজে আমাদের ভোগান্তির স্বীকার হতে হচ্ছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সপ্তাহে দুদিন অফিসে বসে অফিস কাজ পরিচালনা করার কথা থাকলেও ইউএনও অফিসে দৌড়াদৌড়ি করে আমাদের অফিস কাজ পরিচালনা করা আমাদের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে। অফিসার না থাকায় যে নিয়মে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও তা যথা নিয়মে সম্পাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। ইউএনও’র সাথে কথা বললে তিনি জানান বর্তমানে কাজের যে চাপ তা নিয়ম মাফিক করার কোন সুযোগ নাই। তবে ভুমি অফিস কর্মচারী মোঃ মতিয়ার রহমান ও কানুনগো’র হয়রানিতে তেঁতুলিয়াবাসী অতিষ্ট।
Credibility:
0
Views: 0 times