-
by মোঃ শাহজালাল
-
তেঁতুলিয়া
-
১৫ জানুয়ারী ২০১২
-
০১:৩৪
-
অপরাধ 
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এক ইউপি চেয়ারম্যান পরিবারের প্রায় ২০ একর জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের হারাদিঘী গ্রামের মো ঃ শেখ কামাল গত ১৩ জানুযারি পঞ্চগড় শহরের মোলানী পাড়া বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের জবর দখলকৃত ২০ একর জমি উদ্ধারের দাবি জনান।
সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের হারাদিঘী মৌজার ৯৯ ও ২৭০ নং এস, এ খতিয়ানে মোট ভূমি ২০ একর পৈত্রিক ও ক্রয়সূত্রে মালিক তাদের পরিবার। তাদের এই সম্পত্তি এলাকার কিছু প্রভাবশালী ভূমিদস্যুর সাথে আঁতাত করে জাল খারিজ খতিয়ান তৈরির মাধ্যমে জেমকন লিমিটেডের নিকট ভুয়া দলিলের মাধ্যমে বিক্রি করে। এলাকার ভূমিদস্যুরা ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী জেলা যুবলীগ নেতা আকতার হোসেনের সহযোগিতায় এসব ভূমি দখল করে নেয়। সংবাদ সম্মেলনে মো. শেখ কামাল বলেন ভূমি দস্যুরা আমার জমি অবৈধ উপায়ে ক্রয় করে গায়ের জোরে চারপাশে সীমানা প্রাচীর এবং তাঁরকাটা বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলেছে। ওই সময় আমার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিথী এন্টারপ্রাইজের ক্রয়কৃত প্রায় এক কোটি টাকার পাথর উক্ত জমিতে মজুদ ছিল। দখলকারীরা জমি দখলের পর পাথরও জোর করে বিক্রি করা শুরু করেছে। আমার ভাই ৫নং বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় বিচারিক আদালত-৪ এ মামলা করেন (মামলা নং- পিটিশন ৮৫/১১, ০৩/০৩/২০১১)। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য তেঁতুলিয়া উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করেন। তেঁতুলিয়া উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) গত বছরের ৩১ মার্চ আদালতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে সকল খারিজ খতিয়ান জাল এবং ভূয়া বলে উল্লেখ করেন। এর আগে মামলা নং- ১৫/০৬ মোকদ্দমায় ডিগ্রী প্রাপ্ত হই। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় জমি আদালত কমিশনের মাধ্যমে বুঝে নেয়া হয়। গত ৩১ মার্চ আদালতের আদেশকে উপেক্ষা করে জেলা যুবলীগ নেতা আকতারের সহযোগিতায় একদল লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে জেমকন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ উক্ত জমি জোর করে দখল করে নেয়। এরপর দখলকারী চক্র জমিতে রোপণকৃত কমলা বাগানসহ অন্যান্য বৃক্ষাদি তুলে ফেলে বিশাল গর্ত করে পাথর উত্তোলন শুরু করে। বিষয়টি তেতুলিয়া থানার জানানো হয়। কিন্তু বিষয়টি জেনেও পুলিশ কৌশলে এড়িয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় জেমকন কর্তৃপক্ষ আমাকে হয়রানি করতে ঢাকার মতিঝিল থানায় একটি ছিনতাই মামলা (নং ৪৩৫/১১) ও ফরিদপুর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা (নং ৬/১১(৫) দায়ের করে। এ ব্যাপারে জেলা যুবলীগ নেতা আকতার হোসেনের সাথে মোবাইল (০১৯১৩৫০৮৩০২ নাম্বার) ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। পাশাপাশি জেমকন কর্তৃপক্ষ মেজর (অবঃ) রানা এর সাথে (০১৭১৪১৬৬০১৩ নাম্বার) মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দেশের বাইরে আছেন বলে জানান শামিম নামের একজন।
লাইক:
0
দেখা হয়েছে: ০ বার