ঠাকুরগাঁওয়ে ৭১ কিলোমিটার রেলপথের ৭৩ ক্রসিংয়ের মধ্যে ৬৫ টিতে কোন গেটম্যান নেই। ফলে জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন এ রেলক্রসিংগুলো দিয়ে পারাপার হচ্ছে এলাকাবাসী ও যানবাহন। এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠাকুরগাঁও রেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালেও এ সমস্যার সমাধান হয়নি। তারা জানান,ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় রেলপথের সদর উপজেলার আমতলী রেলক্রসিংটি বেশ আঁকাবাঁকা। কাছাকাছি স্থান থেকেও বোঝার উপায় নেই যে, এখানে রেলক্রসিং আছে। রেল লাইন ও সড়কের উভয় পাশেই রয়েছে সারি সারি গাছ। বাঁকা পথ পার হলেই রেল লাইন। ট্রাকচালক হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেন জানান, আমতলি স্থানটিতে ঝুকি নিয়ে পার হতে হয়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগড়, রুহিয়া, শিবগঞ্জ সহ কয়েকটি রাস্তার রেলক্রসিংয়ে গিয়ে দেখা গেছে, এগুলোতে কোন গেট নেই। রেল লাইনের ৫৮ গজের মধ্যে রয়েছে স্পিড ব্রেকার। প্রায় যানবাহন গতি নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে রেল লাইনের উপর ওঠে যায়। ঠাকুরগাঁও রোডে রেল গেটে নেই কোন গেটম্যান। ট্রেনের শব্দ শোনলে দোকানদাররা গেটম্যানের হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এই গেট দিয়ে চারটি উপজেলার শত শত গাড়ি চলাচল করে। যে কোন মুহুর্তে দুঘটনা ঘটতে পারে। ইতোপুর্বে এই রেল গেটে দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে ঠাকুগাও রেল জনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জানান, ঠাকুরগাঁও রেল জোনের অধীন ৭১ কিলোমিটার মোট ৭৩ টি ক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে আটটিতে গেট ম্যান রয়েছে। অবশিষ্ট ৬৫টিতে নেই। তাছাড়া অনেক ক্রসিং গেটের সতর্কীকরণ বোর্ডগুলোও নষ্ট হয়ে গেছে। এ কারনে ওই ৭১ কিলোমিটার পথে রেল চলাচল মারাত্নক ঝুকির মধ্যে রয়েছে। ঠাকুরগাঁও রেল ষ্টেশনের মাষ্টার জানান, বিষয়টি উপরের কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গেটম্যান না থাকায় পথচারীরা ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে।
লাইক:
1
দেখা হয়েছে: ০ বার